• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

আতিয়া মহলের পাশের ভবন থেকে ৬ জন উদ্ধার

সিসি ডেস্ক: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার শিববাড়ি এলাকার আতিয়া মহলের পাশের ভবন থেকে তিন শিশু ও তিন নারীকে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। অভিযান শুরুর চতুর্থ দিনে সোমবার সকালে তাদের উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃতরা হলেন আসমা বেগম, সাহিনা বেগম ও আলী হোসেনসহ তিন শিশু। এর আগে শনিবার ব্যাপক গোলাগুলির মধ্যে আতিয়া মহলে আটকা পড়া ৭৮ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে আতিয়া মহল ঘিরে ফেলে পুলিশ। তাদের সাথে প্রথমে সোয়াট, পরে সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডোরা যোগ দেন। শনিবার সকালে শুরু হয় সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়নের ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’। সেদিন ব্যাপক গোলাগুলির মধ্যে ভবনটিতে আটকা পড়া ৭৮ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়। তবে নিচতলার ফ্ল্যাটে থাকা জঙ্গিদের ধরা সম্ভব হয়নি। এই অভিযানের মধ্যেই সন্ধ্যায় ভবনটির কাছেই দুই দফা বিস্ফোরণে দুই পুলিশ সদস্যসহ ছয়জন নিহত হন। র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।

এদিকে রবিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনা সদর দফতরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান জানান, আতিয়া মহলে অভিযারে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। এছাড়া ওই আস্তানায় এক বা একাধিক জঙ্গি এখনো জীবিত রয়েছে। তাই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘরের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরক ফিট করে রেখেছে জঙ্গিরা- উল্লেখ করে ফখরুল আহসান বলেন, তারা ঘরে বিস্ফোরক লাগিয়ে রেখেছে, তাই অভিযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সেজন্য সময় বেশি লেগেছে। তবে আমাদের প্রাথমিক যে টার্গেট ছিল, ভেতরে থাকা সাধারণ লোকদের সরিয়ে আনা, তাতে কমান্ডোরা সফল হয়েছে।

যে ফ্ল্যাটটিতে জঙ্গিরা আস্তানা গেড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বাড়ির মালিক উস্তার আলীর ভাষ্য, তিন মাস আগে কাউছার আলী ও মর্জিনা বেগম নামে এক দম্পতি ফ্ল্যাটটিতে ওঠেন। শুক্রবার অভিযানের সময় ওই বাসা থেকে এক নারী ও এক পুরুষের সাড়াও পাওয়া গিয়েছিল। তবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, যে দুজন নিহত হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন, তাদের দুজনই পুরুষ। ভেতরে কোনো নারী আছেন কি না, সে বিষয়ে কমান্ডোরা নিশ্চিত হতে পারেননি।

সোমবার আতিয়া মহলে চতুর্থ দিনের মতো অভিযান চলছে। রবিবার বিকাল থেকে বেশ কিছু সময় চুপচাপ থাকলেও মধ্যরাতে ওই বাড়ি থেকে বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ পাওয়া যায়। পরে সকাল সাড়ে ৬টা থেকেই থেমে থেমে গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ